Skip to content

All About The Quran

August 21, 2011

The Quran is a Divine Miracle of Literature [Prophesy - Science - Warnings - Wisdom - Truths]…and it has been Preserved 100% In the Original Language – for over 1,400 years!

Humanity has received Divine Guidance only through two channels:

 The Word of Almighty God (“Allah” [in Arabic]) [scriptures, Bible, Psalms, etc.]
 The Prophets sent by the Allah to communicate His Will to mankind

These two things have always been going together, hand in hand.

More important though, there were at that time, tens of thousands of his companions (“sahabi” in Arabic) who memorized the complete Quran from the instruction of the prophet Muhammad (peace be upon him). Even the prophet himself (peace be upon him) used to recite it with angel Gabriel once a year and in the last year of his life he recited it two times just before the month in which he died.

Next, the leader who came after the prophet Muhammad (peace be upon him) (Abu Bakr) entrusted the collection of the Quran to be written in one volume by one of the Prophet’s scribe, Zaid Ibn Thabit. He kept it till his death. Then the next leader, Umar and after him to his daughter, Hafsa who had been one of the wives of Prophet Muhammad (peace be upon him).

Then from the original text which now resides in Topkope Museum, in Istanbul, Turkey, the next leader, Uthman prepared several other exact duplications and sent them to various Muslim territories such as; Uzbekistan and Turkey and other places. These scriptures are still in museums there and one has found its way to a museum in England as well. All of them are exactly the same. Today many of the Muslims from these areas are still memorizing the Quran.

The Quran was so meticulously preserved because it is the Book of Guidance for all of humanity for all times. That is why it does not address just the Arabs, in whose language it was revealed. In fact Arabs today do not comprise more than 13% of the Today of Muslims in the world today.

The Quran speaks to “mankind”

Quran speaks to all of mankind on a general basis without regard to race, tribe, color, social position, financial condition or genealogy.

Allah the Almighty says:

“O Mankind! What has seduced you from your Lord so Generous?”

 

[Noble Quran 82:6]

The Practical Teachings of the Quran

Teachings of Quran are established by the example of Muhammad (peace be upon him) and the good Muslims throughout the ages have endeavored to emulate his teachings both in thought and conduct.

The distinctive approach of the Quran is that its instructions are aimed at the general welfare of the mankind and are based on the possibilities within his reach.

The Quran is Wisdom Conclusive.

 It neither condemns nor tortures the flesh nor does it neglect the soul.
 It does not humanize God, nor does it deify man.
 Everything is carefully placed where it belongs in the total scheme of creation.

Yet it obviously is not written in human style (chronological order). Those who would claim that the prophet Muhammad (peace be upon him) was the author of the Quran are claiming something that is humanly impossible.

How could any person of the 7th century utter such scientific truths as those found in the Quran?
Could he describe the evolution of the embryo inside the uterus so accurately as we find it now recorded in modern science?

[See: Dr. Keith Moore's book - on embryology]

Secondly, is it logical to believe that Muhammad (peace be upon him) who up to the age of forty was marked only for his honesty and integrity, began all of a sudden the authorship of a book matchless in literary merit and the equivalent of which the whole legion of the Arab poets and orators of the highest caliber could not produce?

And lastly, is it justified to say that Muhammad (peace be upon him) who was known as “Al-Ameen” (trustworthy) in his society and who is still admired by the non-Muslim scholars for his honesty, would lie about receiving the Quran (which forbids lying) from the Angel Gabriel and then still be able to establish the best human society on the face of the earth, based on truth?

Surely, any sincere and unbiased searcher of truth must come to the conclusion that the Quran is the revealed Book of Almighty Allah.

Readers can easily see how the modern world is coming closer to reality regarding the truth of the Quran.
We appeal to all open minded scholars to study the Quran in the light of the aforementioned points.
We invite all to challenge the validity and accuracy of the sciences known to man today and keep in mind that this is theEXACT TEXT used by the Prophet Muhammad (peace be upon him) over one thousand four hundred years ago.

We are sure that any such attempt will convince the reader that the Quran could never have been written by any human being ever.

Collected from: http://www.allahsquran.com/all_about_the_quran.php

 

অনলাইনে সহজে বাংলায় কুরআন অনুবাদ পড়ুন এবং আয়াত অনুসন্ধান করুন

August 12, 2011

যারা ইতিমধ্যে Mumenoon (http://www.mumenoon.net) website টির সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন এবং ভাল লেগেছে তাদের জন্য update হচ্ছে অনলাইনে বাংলায় কুরআনের অনুবাদ পড়ার website টি এখন থেকে নিচের web address ও পাওয়া যাবে এবং ওয়েবসাইটি নতুন করে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে।

http://www.mumenoon.net/bengali/

আর যারা নতুন তাদের জন্য বলব একবার visit করে দেখুন। এবং আমার বিশ্বাস এটি আপনাদের ভাল লাগবে এবং আপনি কুরআন পড়তে উৎসাহিত হবেন। কারন এ website টি গতানুগতিক নয় এবং এর navigation খুব সহজ। আর বাংলা লিখন software install ছাড়াই Unicode font এ এতে বাংলায় লিখে অথবা copy/paste করে আয়াত খোঁজ করার সুবিধা আছে। আমি মনে করি নিজের ভাষায় কুরআন পড়া খুবই প্রয়োজন যদি আরবি না জানেন। কারন কুরআন বুঝে পড়ার প্রতি গুরত্ব আরপ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে একটি হাদিস উল্লেখ করা যেতে পারে।

“জুনদুব বিন আবদুল্লাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আনহু), নবী (সাল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, যতক্ষন তোমরা কোরআ’ন ব্যাখ্যার সাথে একমত পোষণ কর ততক্ষন তোমরা কোরআ’ন তেলওয়াত কর। আর যখন তার অর্থ ও ব্যাখ্যা সম্পর্কে দ্বিমত হবে তখন সাময়িক ভাবে এর তেলাওয়াত বদ্ধ রাখবে।” (বোখারী)

আল্লাহ বলেছেন : “অবশ্যই আমি [এই কুরআন] তোমার ভাষায় সহজ করে প্রকাশ করেছি, যেনো তারা [এর উপদেশে] মনোযোগ দিতে পারে।” [৪৪:৫৮]

কুরআন আরবি ভাষায় নাজিল হওয়ার সমসাময়িকদের বুঝতে সুবিধা হয়েছিল। যদিও আরবি খুবই rich একটা language; অনুবাদের প্রকৃত অর্থ দার করাও কঠিন। কিন্ত শুরু করার জন্য প্রথমে নিজের ভাষায় পুরো কুরআন একবার শেষ করা জরুরি। এতে আগ্রহ বাড়বে এবং ভ্রান্ত চিন্তা থেকে নিস্তার পাবেন। আমি মনে করি, প্রতিদিন কুরআন পড়া নিজের ঈমান রক্ষায় সহায়কের ভুমিকা পালন করে। এবং আমার মনে হয়েছে আমরা অনেকেই পড়তে চাই কিন্তু প্রথম বাধা হিসেবে মনে করি আরবি। অজু করা/পবিত্রতা অবলম্বনের অলসতা ইত্যাদি। মনে হতে পারে এটা পড়তে পবিত্রতার প্রয়োজন কি নেই? অবশ্যই আছে, তবে কুরআনের আসল কিতাব পড়ার মত নয়। কেননা মনে রাখতে হবে কুরআনের অনুবাদ কিন্তু কুরআন নয়। অজু ছাড়াও বাংলা অনুবাদ পড়া যায়। আপনি যদি serious পাঠক হয়ে থাকেন তবে আপনাকে বলব original book টি পড়ুন সম্ভব হলে ভাষা শিখুন।

বর্তমানে নাস্তিকতা যে পরিমান পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে, আমার মনে হয়েছে তা কুরআন না পড়া/জানার কারনেই। অনেকে নিজেকে নাস্তিক বা নাস্তিকতা হওয়াকে খোলা মনের বা বুদ্ধিমত্তার পরিচয় বলে মনে করেন। এবং কুরআন না পড়েই অমূলক বাজে মন্তব্য করেন। কিন্তু আপনি যদি খোলা মনের দাবি করে থাকেন তবে এটা না পড়া/জানা কি ধরনের খোলা মনের মানসিকতা বলুন? যে কোন জানার বিষয়কে আপনার স্বাগত জানানো উচিত। তাছাড়া আপনি কিভাবে জানবেন বা মানবেন যদি নাই পড়েন আপনার সৃষ্টিকর্তা কি আদেশ নিষেধ পালন করতে বলেছেন তাঁর কিতাবে। আল্লাহ বলেছেন :

“তবে কি উহারা কুর-আন সম্বন্ধে অভিনিবেশ সহকারে চিন্তা করে না? না উহাদের অন্তর তালাবদ্ধ?” [৪৭:২৪]

“আমি তো তোমাদের প্রতি এক কিতাব অবতীর্ণ করেছি; এতে তোমাদের জন্যে উপদেশ রয়েছে। তোমরা কি বোঝ না?” [২১:১০]

ছোট দুটি উদাহরন দেই বোঝার সুবিধার্থে। ধরুন কোন এক কোম্পানির বাধ্যতামূলক নিয়ম হচ্ছে, তাদের রুল রেগুলেশন গুলো শুরুতেই পড়ে জেনে নিবেন এবং সেভাবে নিয়ম মেনে চলবেন। এখন আপনি একজন শিক্ষিত ও বুদ্ধি সম্পূর্ন কর্মচারি হিসেবে কি করবেন? নিজেই পড়ে নিবেন? নাকি অন্যের কাছ থেকে শুনে নিবেন যে পড়েছেন? নাকি কিছুই করবেন না? নিশ্চয় আপনি একমত হবেন প্রথম কাজটি করেবেন। যদিও ধরে নেই অন্যের থেকে শুনে নিবেন সেক্ষেত্রে কিন্তু বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে এবং অনেক জরুরি নির্দেশনা missing যেতে পারে যার কারনে আপনার চাকুরিও চলে যেতে পারে! বরং তাদের সাহায্য নিতে পারেন যদি কোথাও বুঝতে সমস্যা হয়। আর যদি না পড়েন তবে ঝামেলায় তো পড়বেনই!
আবার ধরুন অজানা কোন ভাষায় আপনাকে কোথাও যেতে নির্দেশ করা হল। এবং কিভাবে যাবেন তা আপনার অজানা ভাষায় বলে দেয়া হল। আপনি যাবার সুবিধের জন্য বক্তার কথা মুখস্ত করে ফেললেন। কিন্তু এত কি আপনি কাঙ্খিত স্থানে পৌছাতে পারবেন? আপনার দরকার ভাষা উদ্ধার করা/বোঝা; তবেই পৌছাতে পারেন সুন্দর এবং ঝামেলাহীন ভাবে।

সবারই কুরআন পড়া উচিত। কেননা এ ব্যাপারে কেন মনকে জানা থেকে বঞ্চিত করবেন। এবং আমার বিশ্বাস, আপনি আস্তিক- নাস্তিক যে বিশ্বাসের অনুসারী হন না কেন; পড়তে শুরু করুন দেখবেন মনের অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছেন। কুরআন খুব বিশাল পৃষ্টার গ্রন্থ নয়; দেখবেন শেষ করতে বেশি সময়ও লাগবে না। কিন্তু এটা পড়ার পড় achievement টি হবে অন্য রকম। কুরআন সম্পর্কে আমাদের বেশির ভাগ লোকের achievement ভাসা ভাসা, শুধুই আরবি পড়া অথবা শোনা। আবার আজকাল অনেক মুর্খ পন্ডিত এটা ভাবেন যে কুরআন তো ধর্মের বই এতে জ্ঞানের কি শিখার আছে এবং অন্যান্য ধর্ম এবং ধর্ম বইয়ের সঙ্গে তুলনা করেন। আমি নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি, বইটা আপনি একবার পড়ুন; আপনি আপনার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হবেন; এই বইয়ের নিজস্ব বলার যে শক্তি তা আপনাকে মুগ্ধ করবে, কখনো বিস্মিত হবেন এবং আপনাকে চিন্তা করতে আগ্রহী করে তুলবে। এবং আপনি সত্যই যদি সৎ হৃদয়ে জানার জন্য পড়েন তবে উপকৃত হবেন।

একটা বিষয় আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন আল্লাহকে স্মরণ করা প্রয়োজন আমাদের নিজেদের প্রয়োজনে; আল্লাহর প্রয়োজনে নয়। আল্লাহ অভাব মুক্ত এবং সব কিছু থেকে পবিত্র। বেঁচে থাকা কিম্বা নতুন সৃষ্টির জন্য আমাদের যেমন Existing বস্তুর সাহায্যের প্রয়োজন তা কিন্তু আল্লাহর প্রয়োজন নেই। তাঁর সৃষ্টির কোন কিছুর উপরই তিনি dependent নন। যা কিনা বিজ্ঞান নিয়ে যারা বড়াই করেন শুধু তারা নন কারই পক্ষেও সম্ভব নয়। আর আমরা স্মরণ করলেই আল্লাহ কেবল আমাদের সাহায্য এবং স্মরণ করবেন সৎ পথের দিকে। আর দুরে রাখতে চাইলে তাতেও আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করবেন। যাতে আরো বিভ্রান্ত হন। এটাই তাঁর পরীক্ষা এবং তিনি তা দেখার অপেক্ষায় আছেন; কে তাকে না দেখে বিশ্বাস ও সৎকর্ম করেছে এবং তাঁর কথা মত চলেছে। ধন্যবাদ আপনাকে blog টি পড়ার জন্য। আশা করছি উপকৃত হলে অন্যদের সঙ্গেও share করবেন।

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.